Description
Product details of F1 Hybrid Nice Ball Brinjal Begun Eggplant (বেগুন বীজ)
নাইস বল এফ-ওয়ান হাইব্রীড বেগুন
অধিক উৎপাদনশীল হাইব্রিড জাত
গাঢ় বেগুনী বর্ণের, মোলায়েম, কোমল ও সুস্বাদু
মাঝারি আকৃাতির ঝোপালো গাছ
ফলের দৈর্ঘ্য ২৬-৩০ সেমি বা ১০-১২ ইঞ্চি
ফলের গড় ওজন ৪০০-৭৫০ গ্রাম।
চারা রোপনের ৬০-৭০- দিনের মধ্যে ফল তোলা যায়
রোগ ও পোকামাকড় আক্রমণ সহনশীল
সারাবছর চাষযোগ্য
নাইস বল এফ-ওয়ান হাইব্রীড বেগুন
বেগুনকে সাধারনভাবে উষ্ণ জলবায়ুর ফসল হিসেবে অভিহিত করা হয়। সাধারণত বেগুন ১৫ থেকে ২৫ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ভালো ফলন দেয়।
আমাদের দেশের সব রকমের মাটিতে বেগুন চাষ করা যায় এবং ভাল ফলনও দিয়ে থাকে।
তবে পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা থাকা আবশ্যক।
বেলে দোআাঁশ বা দোআাঁশ মাটিই এই চাষের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট।
বেগুন চাষের জন্য উর্বর জমি যেখানে বৃষ্টির পানি দাঁড়ায় না ও সবসময় আলো-বাতাস পায় এমন জমি নির্বাচন করতে হবে।
এরপর উক্ত জমিতে ৪ থেকে ৫ বার চাষ দিয়ে তারপর মই দিয়ে জমির মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে।
৫-৬ সপ্তাহ বয়সের চারা ৭৫ সেমি দূরত্বে সারি করে ৬০ সেমি দূরে দূরে রোপণ করতে হয়।
লক্ষ্যণীয় চারার গোড়া রস ধরে রাখার জন্য চারার আটির গোড়াটি কাদার মধ্যে ডুবিয়ে নিতে হবে।
তারপর চারা রোপণ করতে হবে। বিভিন্ন জাতের বেগুন গাছের আকার অনুযায়ী এ দূরত্ব ১০-১৫ সেমি কম বেশি করা যেতে পারে।
জমিতে চারা রোপনের পর চারা যাতে শুকিয়ে না যায় সেজন্য সেচ দিতে হবে।
বেগুন চাষের জন্য সেচ অত্যন্ত জরুরি। বেগুনের শিকড় মাটির খুব গভীরে যায় না বলে অধিক ফলন পাওয়ার জন্য ঘন ঘন সেচ দেওয়া প্রয়োজন।
তাছাড়া জমিতে রস না থাকলে সার প্রয়োগের পরপরই সেচ দিতে হবে।
আগাছা খাদ্য, পানি ও আলোর জন্য ফসলের সাথে প্রতিযোগিতা করে।
তাছাড়া আগাছা পোকামাকড় ও রোগজীবাণুর আশ্রয়স্থল হিসেবেও কাজ করে।
তাই বেগুনের জমিতে আগাছা দেখা দিলে মাঝে মাঝে আগাছা পরিষ্কার করে দিতে হবে।
এতে বেগুনের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
পরিপক্ব হওয়ার আগেই বেগুন গাছ থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
ফসল এমনভাবে সংগ্রহ করতে হবে যাতে বেগুন যথেষ্ঠ বড় হয় কিন্তু বীজ শক্ত হয় না।
সাধারনত বেগুন গাছে চারা লাগানোর ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে ফুল আসে এবং এর এক মাসের মধ্যে বেগুন খাওয়ার উপযোগী হয়।
জার্মিনেশন রেটঃ৯০-৯৫%


Reviews
There are no reviews yet.