Description
স্কোয়াশ একটি কুমড়া জাতীয় বিদেশী সবজি । মধ্যপ্রাচ্যসহ চীন, জাপান এবং পাশ্চাত্যের সকল দেশেই এটা খুবই জনপ্রিয় ।
বাংলাদেশের চাইনিজ রেস্টুরেন্টে মিক্সড ভেজিটেবল, ভেজিটেবল স্যুপ সহ অনেক আইটেমের অন্যতম উপাদান হলো স্কোয়াশ।
এছাড়াও সাধারন সবজি হিসেবেও স্কোয়াশ ব্যবহৃত হয়।
স্কোয়াশ বিভিন্ন আকার ও বিভিন্ন রঙয়ের হতে পারে তবে আমরা লম্বা চিকন আকারের ফলকেই সাধারণত স্কোয়াশ বলে থাকি ।
স্কোয়াশ খেতে মিষ্টিকুমড়ার মত কিন্ত অত্যন্ত সুস্বাদু । স্কোয়াশ কাচা ও পাকা দুই অবস্থাতেই খাওয়া তবে কাচা অবস্থাতেই বেশি জনপ্রিয়। স্কোয়াশ পাকলে খেতে খুব মিষ্টি হয়।
বাংলাদেশে এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে ।
স্কোয়াশ সাধারণত সারাবছর চাষ করা যায় তবে গ্রীষ্মকালে চাষ করার জন্য গ্রীষ্মকালীন জাত এবং শীতকালে চাষ করার শীতকালীন জাত চাষ করতে হবে ।
কুমড়া জাতীয় সবজি গাছ সাধারণত লতানো হয় এবং মাচা দিতে হয় কিন্ত স্কোয়াশ গাছে কোন মাচা দিতে হয়না ।
চাইলে ছাদে বা ব্যালকনিতে টবেই স্কোয়াশ চাষ করতে পারবেন।
বিজ থেকে চারা করার নিয়মঃ
বিজ ০৮-১২ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ( পানির সাথে ছত্রাকনাশক বা H2O2 মিশিয়ে দিলে ভালো হয়, না দিলে সমস্যা নাই) বিজের জন্য ভার্মিসার/কেচোসার ৪৫%, কোকোপিট ৪৫% , মাটি ১০% আলাদা মাটি তোইরি করে নিলে ভালো হয়।কিন্তু এগুলো সংগ্রগে না থাকলে সাধারণ মাটি ঝুরঝুর করে তাতেই বপন করতে পারেন। মাটি তৈরি করে মাটির আধা ইঞ্চি পরিমান নিচে বিজ বপন করতে হবে ও উপরে হালকা মাটির প্রলেপ দিতে হবে। মাটি হালকা ভেজা ভাব রাখবেন। অল্প রোদ আলো পড়ে এমন যায়গায় রাখবেন। বেশী শুকাতে দেবেন না আবার বেশি ভেজাও থাকবে না। ৫-১৫ দিনের ভেতরেই চারা তৈরি হবে।চারা একটু বড় হলে বা চারার বিয়স ১৮-২৩ দিন হলে প্রয়োজনে অন্যত্র শিফট করতে পারেন।আরও কিছু জানতে আমাদের চ্যাট অপশনে মেসেজ করুন। ধন্যবাদ 🙂
উন্নত মানের স্কোয়াশের বীজ অরিজিন নেদারল্যান্ড ইম্পোরটেড জার্মিনেশন রেট ৭০-৯০% (বাকিটা আপনার দক্ষতার উপর নির্ভর করবে ) ছাদে বা জমিতে বানিজ্যিক ভাবে চাষ করা সম্ভব খুব সহজের চারা করা যায় টবে ব্যালকনি বা ছাদে সহজেই চারা ও ফলন করা যায় হাইব্রিড হওয়ায় ফলন খুব ভাল হয় সাদা বছর চাষ যোগ্য, অনেক সময় বীজের সুরক্ষার জন্য উপর বিভিন্ন কোম্পানির মেডিসিন কোটেক করা থাকে এ জন্য সময় ভেদে বীজের রঙ এর পার্থক্য হতে পারে।


Reviews
There are no reviews yet.